DSE NEWS
http://sharebaz.blogspot.com
ওভার দ্য কাউন্টার বা ওটিসি মার্কেটে হাতেগোনা কিছু কোম্পানির শেয়ারের লেনদেন হয়। সবমিলে লেনদেন হওয়া কোম্পানির সংখ্যা ১০টির বেশি হবে না। লেনদেন না হওয়ায় বাজার থেকে বের হতে পারছেন না সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ওটিসি মার্কেটের ১২১টি কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা আটকে রয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ঢাকা স্টক এক্সচেজ্ঞ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেজ্ঞ (সিএসই) কেউই এই মার্কেটের উন্নয়নে কাজ করছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মতে মার্কেটটি এখন অভিভাবকহীন হয়ে পড়ছে।
বিদায়ী বছরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে পড়ে থাকা ৬৮ কোম্পানির মধ্যে ১২টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ছিল ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা। অথচ বর্তমানে এ মার্কেটে ৪১ কোটি ৬৬ লাখ ১০ হাজার শেয়ার রয়েছে। সিএসইতে ও প্রায় সমপরিমাণ শেয়ার রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি কোম্পানির ঠিকানাও জানেন না বিনিয়োগকারীরা।
২০০৯ সালে ওটিসি মার্কেট গঠন করার পর এ পর্যন্ত মোট ৬৮টি কোম্পানিকে এ মার্কেটে পাঠানো হয়েছে। এগুলো হচ্ছে আল-আমিন কেমিক্যাল, আলফা টোব্যাকো আমান সি ফুড, এপেক্স ইউভিন, আরিবি টেক্সটাইল, আশরাফ টেক্সটাইল ও আজাদি প্রিন্টার্স।
তালিকায় আরও রয়েছে ঢাকা ডায়িং, জার্মান বাংলা ফুড, গালফ ফুড, ম্যাক এন্টারপ্রাইস, ম্যাক পেপার, মেঘনা শ্রিম্প্র কালচার, মেটালেক্স কর্পোরেশন, এম হোসেন গার্মেন্টস, মিতা টেক্সটাইল, মডার্ন সিমেন্ট, মডার্ন ইন্ডাস্ট্রিজ, মুনা ফুড ও মুন্নু ফেব্রিক্স। এখানে অন্য কোম্পানি হচ্ছে, মনোস্পল পেপার, পদ্মা সিমেন্টস, পদ্মা প্রিন্টার্স, পেপার প্রসেসিং, পারফিউম কেমিক্যাল, পেট্রো সিনথেকিটস, ফার্মাকো ইন্টারন্যাশনাল, ফিনিক্স লেদার, সজিব নিটওয়্যার, সাহেল কার্পেট, সোনালি পেপার, শ্রীপুর টেক্সটাইল, ইইসুফ ফ্লাওয়ার মিলস, বাংলা প্রসেসর। একইভাবে তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, বংলাদেশ ডায়িং, বিডি হোটেলস, বাংলাদেশ লাগেজ, বাংলাদেশ প্লান্টেশন, বাংলাদেশ জিপার, বাংলাদেশ ইলেক্ট্রেসিটি মিটার, বেঙ্গল বিস্কুট, বেঙ্গল ফাইন সিরামিক, বায়োনিক সি ফুড।
এছাড়া বাংলাদেশ লিফ টোব্যাকো, ঈগর স্টার, দ্য ইঞ্জিনির্য়ার্স, এক্সেলসিওর সুজ, হিল প্লান্টেশন, হিমাদ্রি লিমিটেড, নিলয় সিমেন্ট, কাশেম সিল্ক, কাশেম টেক্সটাইল, তমিউদ্দিন টেক্সটাইল, থেরাপিউটিক্স বাংলাদেশ, টিউলিপ ডেইরী, ওয়াটা কেমিক্যাল, ওয়ান্ডারল্যান্ড টয়েস এ তালিকায় রয়েছে। অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে চিক টেক্স, লেক্সকো লিমিটেড, রহমান কেমিক্যাল, রাঙ্গামাটি ফুড, রাশপিট ডাটা ম্যানেজমেন্ট, রাশপিট ইন্ডাস্ট্রিজ, রোজহ্যাভেন বলপেন।
সিএসই থেকে তালিকাচ্যুত হয়েছে ৫৬ কোম্পানি। এগুলো হচ্ছে, ন্যাশনাল আক্সিজেন, প্যারাগন লেদার, স্কলার সু, পদ্মা প্রিনিংটাস, সোনালি পেপার, রুপন অয়েল, জেএইচ কেমিক্যাল, মেঘনা ভেজিটেবল, মার্ক বাংলাদেশ লিমিটেড। এ তালিকায় আরও রয়েছে- জিএমজি কর্পোরেশন, এম হোসেন গামেন্টস, সজীব নেটওয়ার্ক, চিক টেক্সটাইল, শ্রীপুর টেক্সটাইল, বিড়ি ডাইয়িং, ডাইনামিক টেক্সটাইল, আশরাফ টেক্সটাইল, মিতা টেক্সটাইল, তমিজ উদ্দীন টেক্সটাইল ও বাংলাদেশ কেমিক্যাল পারফিউম কেমিক্যাল। তালিকাচ্যুত অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ওয়াটা কেমিক্যাল, আলামিন কেমিক্যাল, রাশপিট ইন্ডাস্ট্রিজ, বেঙ্গল বিস্কুট, মেঘনা শ্রিম্প্র মোনা ফুড এবং গচিহাটা লিমিটেড। রাঙ্গামাটি ফুড, জার্মান বাংলা আইভি ফুড, বাংলাদেশ জিপার, মডার্ন সিমেন্ট, ওয়ান্ডারল্যান্ড টয়েস, বিডি ল্যাগেজ ও ম্যাক পেপার। এছাড়া ম্যাক এন্টারপ্রাইজ, রাসপিট ডাটা, রোজ হ্যাভেন বলপেন, বিডি মনোজপুল পেপার, বেঙ্গল ফাইন সিরামিক এই তালিকায় রয়েছে। একইভাবে তালিকায় রয়েছে, ঈগল স্টার, লেকসো লিমিটেড, গালফ ফুড, নিয়ল সিমেন্ট, আলফা টোব্যাকো।
এ প্রসঙ্গে ডিএসইর বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মোঃ শাকিল রিজভী বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তির কথা স্বীকার করে বলেন, এতদিন আমরা ডিমিউচুয়ালাইজেশন নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। সে কারণে ওটিসি মার্কেটের উন্নয়ন করাসহ অন্য কাজের বিঘœ ঘটেছে। এখন পর্যায়ক্রমে কাজগুলো করা হবে। একই বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিএসইর একজন উর্ধতন কর্মকর্তা বলেন ওটিসি নাম দিয়ে কেবল একটি লোক দেখানো মার্কেট খোলা হয়েছে। যার কোন অগ্রগতি নেই। বাইরের দেশগুলো এ মার্কেটে কোন ভোগান্তি নেই। অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে আলাপ করলে বিনিয়োগকারী ঐক্যপরিষদের নেতা শাহাদাত হোসেন ফিরোজ বলেন, এসব কোম্পানিকে ওটিসি মার্কেটে পাঠানো কর্তৃপক্ষের একটি বড় ভুল ছিল। মার্কেটের উন্নয়ন হবে এমন কথা বলে এটি চালু করা হলেও তা কেবল ঘোষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। যা সাধারণ বিনিয়োগকারীর জন্য পীড়াদায়ক।
উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ওটিসি মার্কেটের ১২১টি কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা আটকে রয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ঢাকা স্টক এক্সচেজ্ঞ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেজ্ঞ (সিএসই) কেউই এই মার্কেটের উন্নয়নে কাজ করছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মতে মার্কেটটি এখন অভিভাবকহীন হয়ে পড়ছে।
বিদায়ী বছরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে পড়ে থাকা ৬৮ কোম্পানির মধ্যে ১২টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ছিল ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা। অথচ বর্তমানে এ মার্কেটে ৪১ কোটি ৬৬ লাখ ১০ হাজার শেয়ার রয়েছে। সিএসইতে ও প্রায় সমপরিমাণ শেয়ার রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি কোম্পানির ঠিকানাও জানেন না বিনিয়োগকারীরা।
২০০৯ সালে ওটিসি মার্কেট গঠন করার পর এ পর্যন্ত মোট ৬৮টি কোম্পানিকে এ মার্কেটে পাঠানো হয়েছে। এগুলো হচ্ছে আল-আমিন কেমিক্যাল, আলফা টোব্যাকো আমান সি ফুড, এপেক্স ইউভিন, আরিবি টেক্সটাইল, আশরাফ টেক্সটাইল ও আজাদি প্রিন্টার্স।
তালিকায় আরও রয়েছে ঢাকা ডায়িং, জার্মান বাংলা ফুড, গালফ ফুড, ম্যাক এন্টারপ্রাইস, ম্যাক পেপার, মেঘনা শ্রিম্প্র কালচার, মেটালেক্স কর্পোরেশন, এম হোসেন গার্মেন্টস, মিতা টেক্সটাইল, মডার্ন সিমেন্ট, মডার্ন ইন্ডাস্ট্রিজ, মুনা ফুড ও মুন্নু ফেব্রিক্স। এখানে অন্য কোম্পানি হচ্ছে, মনোস্পল পেপার, পদ্মা সিমেন্টস, পদ্মা প্রিন্টার্স, পেপার প্রসেসিং, পারফিউম কেমিক্যাল, পেট্রো সিনথেকিটস, ফার্মাকো ইন্টারন্যাশনাল, ফিনিক্স লেদার, সজিব নিটওয়্যার, সাহেল কার্পেট, সোনালি পেপার, শ্রীপুর টেক্সটাইল, ইইসুফ ফ্লাওয়ার মিলস, বাংলা প্রসেসর। একইভাবে তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, বংলাদেশ ডায়িং, বিডি হোটেলস, বাংলাদেশ লাগেজ, বাংলাদেশ প্লান্টেশন, বাংলাদেশ জিপার, বাংলাদেশ ইলেক্ট্রেসিটি মিটার, বেঙ্গল বিস্কুট, বেঙ্গল ফাইন সিরামিক, বায়োনিক সি ফুড।
এছাড়া বাংলাদেশ লিফ টোব্যাকো, ঈগর স্টার, দ্য ইঞ্জিনির্য়ার্স, এক্সেলসিওর সুজ, হিল প্লান্টেশন, হিমাদ্রি লিমিটেড, নিলয় সিমেন্ট, কাশেম সিল্ক, কাশেম টেক্সটাইল, তমিউদ্দিন টেক্সটাইল, থেরাপিউটিক্স বাংলাদেশ, টিউলিপ ডেইরী, ওয়াটা কেমিক্যাল, ওয়ান্ডারল্যান্ড টয়েস এ তালিকায় রয়েছে। অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে চিক টেক্স, লেক্সকো লিমিটেড, রহমান কেমিক্যাল, রাঙ্গামাটি ফুড, রাশপিট ডাটা ম্যানেজমেন্ট, রাশপিট ইন্ডাস্ট্রিজ, রোজহ্যাভেন বলপেন।
সিএসই থেকে তালিকাচ্যুত হয়েছে ৫৬ কোম্পানি। এগুলো হচ্ছে, ন্যাশনাল আক্সিজেন, প্যারাগন লেদার, স্কলার সু, পদ্মা প্রিনিংটাস, সোনালি পেপার, রুপন অয়েল, জেএইচ কেমিক্যাল, মেঘনা ভেজিটেবল, মার্ক বাংলাদেশ লিমিটেড। এ তালিকায় আরও রয়েছে- জিএমজি কর্পোরেশন, এম হোসেন গামেন্টস, সজীব নেটওয়ার্ক, চিক টেক্সটাইল, শ্রীপুর টেক্সটাইল, বিড়ি ডাইয়িং, ডাইনামিক টেক্সটাইল, আশরাফ টেক্সটাইল, মিতা টেক্সটাইল, তমিজ উদ্দীন টেক্সটাইল ও বাংলাদেশ কেমিক্যাল পারফিউম কেমিক্যাল। তালিকাচ্যুত অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ওয়াটা কেমিক্যাল, আলামিন কেমিক্যাল, রাশপিট ইন্ডাস্ট্রিজ, বেঙ্গল বিস্কুট, মেঘনা শ্রিম্প্র মোনা ফুড এবং গচিহাটা লিমিটেড। রাঙ্গামাটি ফুড, জার্মান বাংলা আইভি ফুড, বাংলাদেশ জিপার, মডার্ন সিমেন্ট, ওয়ান্ডারল্যান্ড টয়েস, বিডি ল্যাগেজ ও ম্যাক পেপার। এছাড়া ম্যাক এন্টারপ্রাইজ, রাসপিট ডাটা, রোজ হ্যাভেন বলপেন, বিডি মনোজপুল পেপার, বেঙ্গল ফাইন সিরামিক এই তালিকায় রয়েছে। একইভাবে তালিকায় রয়েছে, ঈগল স্টার, লেকসো লিমিটেড, গালফ ফুড, নিয়ল সিমেন্ট, আলফা টোব্যাকো।
এ প্রসঙ্গে ডিএসইর বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মোঃ শাকিল রিজভী বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তির কথা স্বীকার করে বলেন, এতদিন আমরা ডিমিউচুয়ালাইজেশন নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। সে কারণে ওটিসি মার্কেটের উন্নয়ন করাসহ অন্য কাজের বিঘœ ঘটেছে। এখন পর্যায়ক্রমে কাজগুলো করা হবে। একই বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিএসইর একজন উর্ধতন কর্মকর্তা বলেন ওটিসি নাম দিয়ে কেবল একটি লোক দেখানো মার্কেট খোলা হয়েছে। যার কোন অগ্রগতি নেই। বাইরের দেশগুলো এ মার্কেটে কোন ভোগান্তি নেই। অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে আলাপ করলে বিনিয়োগকারী ঐক্যপরিষদের নেতা শাহাদাত হোসেন ফিরোজ বলেন, এসব কোম্পানিকে ওটিসি মার্কেটে পাঠানো কর্তৃপক্ষের একটি বড় ভুল ছিল। মার্কেটের উন্নয়ন হবে এমন কথা বলে এটি চালু করা হলেও তা কেবল ঘোষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। যা সাধারণ বিনিয়োগকারীর জন্য পীড়াদায়ক।
BSEC NEWS
Investors are requested to consider the
following facts at the time of making investment decision in the Capital
Market: 1. without acquiring proper knowledge, information and experience regarding
different aspects and matters of Capital Market, one should not invest in the
Capital Market. 2. The gain or loss, whichever comes from the investment, it
belongs to you. So, well-thought of investment decision based on knowledge and
fundamentals of the securities may be real assistance to you. 3. Don't pay any
heed to rumors at the time of trading shares; it may cause loss to you. Even
spreading rumor is legally prohibited. (Ref.: SEC letter no. SEC/SRMIC/2010/726
dated November 23, 2010)
DSE NEWS
An "Inquiry Desk" has been opened at
DSE to receive information related to Capital Market operation. All concerned
are requested to contact the inquiry desk on market operation related affairs
for clarification when necessary. Contact: 9564601, 7175703; Ext-239/ mobile:
01713-276415.
# Bangladesh all bank (listed DSE) into performs half yearly,
Perform ISLAMIC BANK OF BANGLADESH LTD.
973 CORE TK PROFIT.
NUMBER ONE POSITION.
# INDEX NEWS:
Recently
DSE new index start, it's name DSEX. And
DSE General Index close.
No comments:
Post a Comment